ব্যবসা-বাণিজ্যে এআই ও ব্লকচেইনের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ

প্রকাশঃ Jul 18, 2026 - 20:19
ব্যবসা-বাণিজ্যে এআই ও ব্লকচেইনের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ


ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প, ব্যাংকিং ও লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ব্লকচেইন প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। 

এই প্রযুক্তির কার্যকর ও দায়িত্বশীল প্রয়োগ নিশ্চিত করা গেলে, ব্যবসার দক্ষতা, উদ্ভাবন ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা আরও বাড়বে।

শনিবার রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) কার্যালয়ে আয়োজিত ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) অ্যান্ড ব্লকচেইন: ট্রান্সফর্মিং বিজনেস, ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ট্রেড’— শীর্ষক এক সেমিনারে এমন অভিমত তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে বিসিসিসিআই’র সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, ব্যবসায় দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে উদ্যোক্তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানো জরুরি। এ ধরনের আয়োজন চেম্বারের সদস্যদের আধুনিক প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কে ধারণা দেবে এবং তাদের ব্যবসায় উদ্ভাবন ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন— যুক্তরাজ্যের ব্র্যাডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও এফসিএ খন্দকার আতিক-ই-রাব্বানী। 
তিনি ব্যবসা, শিল্প ও বাণিজ্যে এআই ও ব্লকচেইনের বর্তমান ব্যবহার, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ প্রবণতা তুলে ধরেন। 

তার উপস্থাপনায় প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা, আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তথ্যনির্ভরতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক উঠে আসে।

প্রবন্ধ উপস্থাপনের পর, অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণকারীরা ব্যাংকিং, বাণিজ্য, লজিস্টিকস, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার নিয়ে মতবিনিময় করেন। 

তারা বলেন, এআই ও ব্লকচেইনের ব্যবহার বাড়লেও তথ্য সুরক্ষা, দক্ষ জনবল তৈরি ও উপযুক্ত নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়গুলো সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে।

সেমিনারে বিসিসিসিআই’র সেক্রেটারি জেনারেল, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, চেম্বারের সদস্য, বাংলাদেশে ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা, ব্যবসায়ী নেতা, গণমাধ্যমকর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষে বিসিসিসিআই জানায়, উদীয়মান প্রযুক্তি নিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জ্ঞানভিত্তিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।