সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর দ্রুত পুনরায় চালুর দাবি আরসিসিআই’র
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় অবস্থিত সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর পুনরায় দ্রুত চালু করতে কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (আরসিসিআই) নেতৃবৃন্দ।
তারা বলেন, বন্দরটি চালু হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচ কমবে, আঞ্চলিক ব্যবসা চাঙ্গা হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
নৌবন্দরটি চালুর বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরির লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চাওয়া তথ্য সংগ্রহ এবং অবকাঠামো পরিদর্শনের জন্য রোববার আরসিসিআই’র একটি প্রতিনিধি দল বন্দর এলাকা পরিদর্শন করে।
পরিদর্শনকালে আরসিসিআই সভাপতি হাসেন আলী, সাবেক সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুর রহমান শান্তনু, সহ-সভাপতি জিয়াউদ্দিন আহমেদ, পরিচালক গোলাম সাকলাইন এবং আমদানিকারক-রপ্তানিকারক আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
আমিনুল ইসলাম জানান, মাল খালাসের সুবিধাদি এবং সড়ক যোগাযোগসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই বন্দরটি চালু হলে ভারত থেকে পাথর আমদানির খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমবে এবং সরকারের রাজস্ব বাড়বে।
আরসিসিআই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুর রহমান শান্তনু বলেন, উত্তরাঞ্চলে কর্মসংস্থানের তীব্র সংকট রয়েছে এবং এই নৌবন্দরটি বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও জানান, দ্রুত অনুমোদনের জন্য চেম্বার নেতৃবৃন্দ শিগগিরই এনবিআর কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করবেন।
আরসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু বলেন, ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বন্দরটি উদ্বোধনের পর পরীক্ষামূলকভাবে পাঁচটি লাইটার জাহাজ চলাচল করেছিল, যা থেকে প্রায় ৮ লাখ টাকা রাজস্ব অর্জিত হয়। তবে পরবর্তীকালে এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
আরসিসিআই সভাপতি হাসেন আলী বলেন, এই বন্দরটি চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে পরিবহন খরচ এবং সময় উভয়ই সাশ্রয় হবে।
তিনি জানান, এনবিআর চেয়ারম্যানের অনুরোধ অনুযায়ী চেম্বার শিগগিরই তাদের কাছে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জমা দেবে।