পার্বত্য অঞ্চলে ক্রিকেট প্রতিভা খুঁজবে বিসিবি

প্রকাশঃ Sep 30, 2026 - 20:55
পার্বত্য অঞ্চলে ক্রিকেট প্রতিভা খুঁজবে বিসিবি


পার্বত্য অঞ্চলে ক্রিকেটের সুপ্ত প্রতিভা খুঁজে বের করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভৌগোলিক অবস্থান, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও আর্থিক অনটনের কারণে এই অঞ্চলের অনেক উদীয়মান তরুণ-তরুণীর কাছে এ খেলাটি এখনও অধরা থেকে গেছে।

বোর্ড মূলধারার ক্রিকেট ব্যবস্থায় বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর খেলোয়াড়দের নিয়ে আসার উপায় নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এক্ষেত্রে প্রধান বাধা খেলোয়াড়দের দক্ষতার অভাব নয়, বরং সুযোগ-সুবিধার অভাব।

তাদের প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে- চট্টগ্রামে আবাসিক সুবিধা গড়ে তোলা, প্রশিক্ষণের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের আর্থিক সহায়তা প্রদান।

এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ও বিসিবি পরিচালক সিরাজুদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর মনে করেন, পাহাড় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেট কেন্দ্রগুলোতে আসার অপেক্ষায় দেশের ক্রিকেট কাঠামোকে বসে থাকলে চলবে না। বরং খেলার সুযোগ তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।

আলমগীর বলেন, ‘সব বাধা পেরিয়ে শহরে এসে তাদের পক্ষে ক্রিকেট খেলা সম্ভব নয়। তাই আমি চট্টগ্রামে একটি ডরমিটরি বা আবাসন কেন্দ্র গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেখানে তারা থাকতে পারবে এবং সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবে।’

তার প্রস্তাব হলো, এমন একটি কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ তৈরি করা, যার মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীরা আরও পেশাদার পরিবেশে বসবাস ও প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতা গড়ে তুলতে পারবে।

এই ধারণাটি বিসিবির মধ্যকার বৃহত্তর উপলব্ধিকে প্রতিফলিত করে যে, পার্বত্য অঞ্চলে ক্রিকেটের সীমিত উপস্থিতির বিষয়টি মূলত সুযোগ-সুবিধার অভাবজনিত সমস্যা।

রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির শিশুরা দুর্গম ভূ-প্রকৃতি, ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা এবং খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধার সীমাবদ্ধতার মধ্যে বেড়ে ওঠে। এখানে ক্রিকেট মাঠে পৌঁছানো তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এই বাস্তবতা খুব ভালোভাবেই জানেন রাঙামাটির বিসিবির সাবেক কোচ মহিতোষ দেওয়ান।

দেওয়ান বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলে ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন। জীবন যেখানে সংগ্রামের মধ্যে যায়, সেখানে ক্রিকেট এক ধরনের বিলাসিতা।’

তিনি জানান, কেবল খেলার মাঠে পৌঁছানোর জন্যই তরুণ খেলোয়াড়দের বড় ধরনের যাতায়াত ও অবকাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা জয় করতে হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘ক্রিকেটের মাঠে পৌঁছানোর আগেই তাদের বিভিন্ন পাহাড় ও জলাশয় এলাকা পাড়ি দিতে হয়।’

এই বিষয়টি জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ক্রিকেটকে অন্যান্য খেলা থেকে মৌলিকভাবে আলাদা করে তোলে। পাহাড়ি জীবনযাত্রার ফলে গড়ে ওঠা শারীরিক সহনক্ষমতা ফুটবল, হকি ও অন্যান্য খেলায় সফল ক্রীড়াবিদ তৈরিতে সহায়তা করেছে। কিন্তু ক্রিকেটের ক্ষেত্রে পিচ, সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ এবং সুসংগঠিত প্রতিযোগিতা নিয়মিত প্রয়োজন।

এর ফলে স্পষ্টভাবে বৈষম্য বা ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে।

তারপরও বিভিন্ন খেলাধুলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ক্রীড়াবিদরা তাদের অসামান্য পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নিজেদের অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছেন। যেমন- বাংলাদেশের নারী ফুটবলে ঋতুপর্ণা চাকমা ও মনিকা চাকমার মতো ফুটবলাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। অথচ এর বিপরীতে, দেশের সুসংগঠিত কাঠামোতে জাতিগোষ্ঠী থেকে উঠে আসা ক্রিকেটারের সংখ্যা খুবই নগণ্য।

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের প্রথম জাতিগোষ্ঠীভুক্ত ক্রিকেটার হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করে  ইতিহাস গড়েছেন চম্পা চাকমা। পরবর্তীতে আম্পায়ার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন তিনি।

অন্যদিকে, কোচিং পেশায় আসার আগে নব্বইয়ের দশকে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলেছিলেন মহিতোষ দেওয়ান। সাম্প্রতিক সময়ে, বিসিবির বয়স-ভিত্তিক কাঠামোর মধ্য দিয়ে উঠে এসেছেন অনিক দেব বর্মন ও লেকি চাকমা।

তাদের এই লড়াই প্রমাণ করে যে, সুযোগ পেলে জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের খেলোয়াড়রাও জাতীয় ক্রিকেট কাঠামোর অংশ হতে পারেন। এটি দীর্ঘদিন ধরে অনুভূত হচ্ছিল, যা বিসিবির চোখে পড়েছে। 

হবিগঞ্জের বাসিন্দা, ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতার ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের পেসার অনিক ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রাথমিক বাছাই প্রক্রিয়ায় জায়গা করে নিয়েছেন। ক্রিকেটে তার উঠে আসার এই পথটিই বুঝিয়ে দেয় সুযোগ-সুবিধার সহজলভ্যতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

অনিক বলেন, ‘আমাদের গ্রামের কমিউনিটিতে ৪০টি পরিবার রয়েছে। সেখানে কেউ ক্রিকেট খেলত না এবং এই খেলার প্রতি কারও তেমন কোনো আগ্রহও ছিল না।’

হবিগঞ্জ শহরে আসার পরই ক্রিকেট খেলার বড় সুযোগ পায় অনিক। সেখানে স্কুলের মাঠে খেলার সময় এক কোচের নজরে পড়েন তিনি এবং সেই কোচই তার দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করেন।

লেকির যাত্রাপথ ছিল আরও বেশি কঠিন। নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে পারিবারিক বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে এবং প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার জন্য কয়েক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। স্থানীয় ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সহায়তায় রাঙামাটিতে আয়োজিত একটি জেলা-পর্যায়ের ক্যাম্পের মাধ্যমেই তার ক্যারিয়ারে নতুন দুয়ার খুলে যায়।

শুরুতেই লেকির ভেতরের সম্ভাবনা আঁচ করতে পেরেছিলেন ওই ক্যাম্পের সাথে যুক্ত থাকা চম্পা। চম্পা বলেন, ‘ক্যাম্পে ৪০ জন খেলোয়াড় ছিল। পার্বত্য অঞ্চল থেকে পরবর্তী ক্রিকেটার হয়ে ওঠার মতো সম্ভাবনা লেকি দেখিয়েছিল। তাই আমি তাকে বেছে নিই এবং তার দক্ষতার কথা কর্তৃপক্ষকে জানাই।’

এরপর অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে খেলার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে কঠোর প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে যায় লেকি। এই অগ্রগতি শুধু তার নিজের ক্যারিয়ারের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়। বিসিবি এর মাধ্যমে ধারাবাহিক ইতিবাচক প্রভাব বা ‘চেইন রিঅ্যাকশন’ সৃষ্টির সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। যেখানে একজন সফল খেলোয়াড় আরও অনেককে ক্রিকেট খেলার কথা ভাবতে অনুপ্রাণিত করতে পারেন।

আলমগীরের মতে, পাহাড়ি অঞ্চলে ক্রিকেটের বিকাশে ধীরগতির অন্যতম কারণ হলো এমন কোনো আদর্শ বা ‘আইকন’-এর অভাব। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটকে আপন করে নেওয়ার জন্য আমাদের এলাকায় একজন নায়কের প্রয়োজন। পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের জন্য তেমন কোনো নায়ক নেই।

তার মতে, কোনো জাতিগোষ্ঠী থেকে উঠে আসা জাতীয় পর্যায়ের একজন সফল খেলোয়াড় শিশুদের জন্য অনুপ্রেরণার শক্তিশালী উৎস হয়ে উঠতে পারেন। বিশেষ করে সেই সব শিশুর জন্য, যারা বর্তমানে নিজেদের সম্প্রদায়ের সাথে শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটের খুব একটা যোগসূত্র খুঁজে পায় না।

তবে এমন একজন আদর্শ ব্যক্তিত্ব বা ‘রোল মডেল’ গড়ে তোলার জন্য শুধু প্রতিভাবান তরুণদের খুঁজে বের করাই যথেষ্ট নয়। আলমগীর বলেন, পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক বাস্তবতার বিষয়টিও বিসিবিকে বিবেচনায় নিতে হবে। কারণ পরিস্থিতির কারণে অনেক শিশুই স্বাভাবিকভাবেই এমন সব খেলার প্রতি আকৃষ্ট হয়, যেখানে খুব বেশি অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন হয় না।

তিনি বলেন, ‘দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করার কারণে তারা কম খরচের খেলাগুলোর প্রতি আগ্রহী। পার্বত্য অঞ্চলের দৈনন্দিন জীবনবাস্তবতা শহরাঞ্চলের তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন।’ তাই আলমগীর চান, বিসিবি যেন প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ব্যবহারিক সহায়তার বিষয়টিও তাদের পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করে।

চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে একটি ডরমিটরি বা আবাসন কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রস্তাবও দিয়েছেন আলমগীর। যেখানে থেকে প্রশিক্ষণ নিতে পারবে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সম্ভাবনাময় তরুণ ক্রিকেটাররা। পাশাপাশি তিনি আরও চান, বোর্ড যেন নির্বাচিত খেলোয়াড়দের জন্য বেতনসহ আর্থিক সহায়তার বিষয়টিও বিবেচনা করে।

তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে কাউকে বেতনও দিতে পারি, যাতে তারা ক্রিকেট খেলার প্রতি আরও আগ্রহী ও অনুপ্রাণিত হয়। পার্বত্য অঞ্চল থেকে যদি আমরা এভাবেই ক্রিকেটার গড়ে তুলতে পারি, তবে সেখানে এক ধরনের বিপ্লব ঘটে যাবে।’

বিসিবির কাছে এই প্রস্তাব তুলে ধরার পরিকল্পনা করছেন আলমগীর।

ধারণাটি অবশ্য পুরোপুরি নতুন নয়। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে থাকাকালীন পার্বত্য অঞ্চলে একটি ‘স্পোর্টস সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’ বা ক্রীড়া উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি।

ক্রিকেটের প্রসারে বিসিবি এখন আরও সুনির্দিষ্ট ও লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপের কথা ভাবছে।

বোর্ড এটিও স্বীকার করে যে, কেবল শারীরিক শক্তি একজন খেলোয়াড়কে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে যেতে পারে না। ক্রিকেটের জন্য প্রয়োজন কারিগরি দক্ষতা, কৌশলগত বোঝাপড়া এবং ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ।

আলমগীর বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই শক্তি, এমন একটি ধারণা প্রচলিত থাকলেও, প্রয়োজনীয় দক্ষতা ছাড়া শক্তিই যথেষ্ট নয়।’ তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, নিবিড় প্রশিক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।

এর ফলে, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ক্রিকেটের উন্নয়ন কেবল স্বল্পমেয়াদি প্রতিভা অন্বেষণের বিষয় না হয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে পরিণত হয়েছে। বিসিবির সামনে এখন চ্যালেঞ্জ হলো এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যার মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের শুরুতেই শনাক্ত করা যাবে, তাদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সুবিধা দেওয়া যাবে এবং পরবর্তীতে মূলধারার বয়স-ভিত্তিক কাঠামোর সাথে যুক্ত করা যাবে।

চম্পা, অনিক ও লেকির উঠে আসা প্রমাণ করেছে যে, তাদের অনুসরণ করে এমন পথ তৈরি করা সম্ভব। এখন পরবর্তী পদক্ষেপ হলো- ব্যক্তিগত পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে পুরো প্রজন্মের জন্য আরও সহজলভ্য করে তোলা।

পার্বত্য অঞ্চল থেকে এমন অনেক ক্রীড়াবিদ উঠে এসেছেন যারা অন্যান্য খেলায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সক্ষমতা রাখেন। ক্রিকেটের ক্ষেত্রে প্রতিভার কোনো অভাব ছিল না। অভাব ছিল পাহাড় থেকে জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসার একটি ধারাবাহিক ও সুসংহত পথের।

এখন সেই সেতুবন্ধনই তৈরি করতে চায় বিসিবি।

আলমগীর বলেন, ‘আমাদের উচিত তাদের যথাযথভাবে গড়ে তোলা। বিসিবি এমন একটি নির্দেশিকা ও কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা করছে যার মাধ্যমে তারা মূল কাঠামোর অংশ হয়ে নিজেদের দক্ষতা ঝালিয়ে নিতে পারবে। আমরা তাদের বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যেতে দেব না।’

বোর্ডের লক্ষ্য স্পষ্ট, প্রতিভাবানদের খুঁজে বের করা, প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য মূলধারার ক্রিকেট খেলার প্রকৃত পথ তৈরি করে দেওয়া।

এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পরবর্তী আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটার উঠে আসবে কি না, সেটি সময়ই বলে দেবে। তবে এই প্রথমবার খোলাখুলিভাবে বিসিবি ভাবছে যে, পার্বত্য অঞ্চলকে দেশের ক্রিকেটের মূলধারার অংশ করে তুলতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।