মানবপাচার রোধে আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান আইনমন্ত্রীর
মানবপাচার, জোরপূর্বক শ্রম ও অভিবাসী পাচার মোকাবিলায় আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
আজ আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ১৫তম জাতিসংঘ অপরাধ প্রতিরোধ ও ফৌজদারি বিচার কংগ্রেসের অধীনে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের থিমেটিক সভা ‘সোর্স থেকে শেলফ: বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে মানবপাচার মোকাবিলা’- শীর্ষক আলোচনায় প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রী এ গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিমের দেয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় আইনমন্ত্রী মানবপাচার, জোরপূর্বক শ্রম ও অভিবাসী পাচার প্রতিরোধ ও দমনে বাংলাদেশের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী পাচার প্রতিরোধ ও দমনে বাংলাদেশ ‘মানবপাচার ও অভিবাসী পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন, জাতীয় রেফারেল মেকানিজম শক্তিশালীকরণ এবং মানবপাচারসংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি) এবং অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা ও মানবিক মর্যাদা সুরক্ষায় বাংলাদেশ অঙ্গীকারাবদ্ধ। অর্থনৈতিক একীভূতকরণ ও বৈশ্বিক শ্রম চলাচল যেন শ্রমিক ও মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ সম্মান বজায় রেখে পরিচালিত হয় এবং শ্রমিকরা যেন শোষণ থেকে কার্যকর সুরক্ষা পান, তা নিশ্চিত করাও বাংলাদেশের অঙ্গীকারের অংশ।
অনুষ্ঠানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিচারমন্ত্রী, ইউএনওডিসি ও ইন্টারপোলের নির্বাহী পরিচালক এবং সরকারি ও বেসরকারি খাতের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।