বাংলাদেশ-আরব আমিরাত যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের আহ্বান
বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে দ্রুত যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের তাগিদ দিয়েছেন দুবাই ও উত্তর আমিরাতে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামান।
এ বিষয়ে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
দুবাইয়ে কনসাল জেনারেল মো. রাশেদুজ্জামানের সঙ্গে মঙ্গলবার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এ সময় বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনসহ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
এফবিসিসিআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে কনসাল জেনারেল বলেন, বাংলাদেশ ও ইউএইর মধ্যে যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের প্রস্তাবটি দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। বর্তমানে ইউএইর ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে এবং এ ধরনের একটি কাউন্সিল গঠনে নতুন করে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠিত হলে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনেও সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ সময় এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনে সংগঠনের পক্ষ থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বৈশ্বিক হালাল পণ্যের বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার ও রপ্তানি সম্প্রসারণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। মুসলিম দেশগুলোতে বাংলাদেশি হালাল পণ্য রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সহযোগিতা কামনা করেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক।
এ বিষয়ে উভয় পক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।
বৈঠকে দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আশিষ কুমার সরকার উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, বিজিএমইএর উদ্যোগে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য তৈরি পোশাক মেলায় অংশ নিতে দুবাইয়ের একাধিক শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
তিনি মেলার আয়োজকদের পক্ষ থেকে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর পরামর্শ দেন।
এদিকে, আজ বুধবার এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দুবাইয়ের শীর্ষ বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। এ সময় মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো এবং নতুন বাণিজ্যিক সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে আলোচনা হয়।