২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিএমএইচে ছিলাম, রাড্ডা সেন্টারে হামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন: পাপেল

প্রকাশঃ Oct 5, 2026 - 15:52
২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিএমএইচে ছিলাম, রাড্ডা সেন্টারে হামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন: পাপেল


মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন সাবেক যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেল।

তাঁকে জড়িয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন দাবি করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি একটি বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেল বলেন, ঘটনার দিন ২৫ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তিনি জানতে পারেন, তাঁর মায়ের সহোদর বোন ঢাকা সিএমএইচে মারা গেছেন। এরপর স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে তিনি পান্থপথ থেকে সিএমএইচের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

জাহাঙ্গীর গেট দিয়ে সেনানিবাসে প্রবেশের পর সামরিক পুলিশের অনুমতি নিয়ে তাঁরা সিএমএইচে পৌঁছান। সেখানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মরদেহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। পরে মরদেহ মরচুয়ারিতে রাখার পর রাত আনুমানিক ৩টা থেকে সোয়া ৩টার দিকে তাঁরা সিএমএইচ থেকে ফিরে আসেন।

পাপেল বলেন, ঘটনার সময় তাঁর অবস্থানের এসব তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের মাধ্যমে সহজেই যাচাই করা সম্ভব। জাহাঙ্গীর গেট ও সেনানিবাস এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ, সিএমএইচে প্রবেশ ও অবস্থানের রেকর্ড, নিরাপত্তা তথ্য এবং তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের লোকেশন ও প্রযুক্তিগত তথ্য পরীক্ষা করলেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।

প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্য না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, পারিবারিক শোক ও কর্মব্যস্ততার কারণে সংবাদমাধ্যমের ফোন কল বা বার্তা সময়মতো দেখতে না পারায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে কোনো প্রত্যক্ষদর্শী, ভিডিও ফুটেজ বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই তাঁকে একটি ‘সাদা মাইক্রোবাসে’ করে হামলার নির্দেশদাতা হিসেবে প্রচার করার ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা মহানগর পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের জোরালো দাবি জানান পাপেল।

তিনি বলেন, প্রকৃত হামলাকারী, পরিকল্পনাকারী এবং এর পেছনে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। একই সঙ্গে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থে কোনো নির্দোষ ব্যক্তিকে যেন হয়রানি করা না হয়, সে বিষয়েও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।