বিকেটিটিসির প্রশিক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়নে কোরিয়ার সঙ্গে আরওডি স্বাক্ষর
চট্টগ্রামে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিকেটিটিসি) প্রশিক্ষণ অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ লাখ মার্কিন ডলারের একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে আলোচনা স্মারক (রেকর্ড অব ডিসকাশন-আরওডি) স্বাক্ষর করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (কোইকা) ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)।
‘চট্টগ্রাম বিকেটিটিসি কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উন্নয়নে প্রকল্প-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’ শীর্ষক এ প্রকল্প ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে। এর আওতায় পুরোনো একাডেমিক ভবনের পরিবর্তে নতুন ও কাঠামোগতভাবে নিরাপদ ভবন নির্মাণের মাধ্যমে কেন্দ্রটির কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের আওতায় দুই তলা একটি নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে। ভবনটির ভিত্তি এমনভাবে নকশা করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে তা ছয় তলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা যায়।
নতুন ভবনের স্থাপত্য ও প্রকৌশল নকশা, নির্মাণ ব্যবস্থাপনা ও তদারকির পাশাপাশি বিদ্যমান ভবন নিরাপদে অপসারণে কারিগরি পরামর্শ দেবে কোইকা। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে কোরিয়া ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, কোইকা ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪৮ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয়ে চট্টগ্রামের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উন্নয়নে সহায়তা করেছিল। নতুন প্রকল্পটিতে আগের সহযোগিতার স্থায়িত্ব জোরদারের পাশাপাশি বিদ্যমান অবকাঠামোর কাঠামোগত নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগ মোকাবিলায় নেওয়া হয়েছে।
কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, এই আলোচনা স্মারক বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নয়ন সহযোগিতার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অব্যাহত অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বাংলাদেশি কারিগরি পেশাজীবীদের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই প্রশিক্ষণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কোইকা আশাবাদী।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উইং প্রধান বলেন, বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উন্নয়ন বাংলাদেশে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মান শক্তিশালী করতে অবদান রাখবে। দক্ষ জনশক্তি উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখায় আমরা দক্ষিণ কোরিয়া সরকার ও কোইকার প্রতি কৃতজ্ঞ।