জাহাজভাঙা শিল্পের উন্নয়নের পাশাপাশি মৃত্যুহার কমাতে চায় সরকার
সরকার জাহাজভাঙা শিল্পের উন্নয়নের পাশপাশি এ সংশ্লিষ্ট মৃত্যুহার শুন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে চায়। শিল্পায়নের সঙ্গে রিস্ক ফ্যাক্টর আছে, তাই সে ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।
আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের হোটেল আগ্রাবাদে ‘বাংলাদেশে টেকসই জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ক নিরাপত্তা সচেতনতা কর্মসূচি মারাত্মক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সেইফটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম অন সাসটেইনেবল শিপরিসাইক্লিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমান আধুনিক যুগে ঘরে বসেই শিল্প কারখানা ইয়ার্ড ক্যামেরায় দেখা যায়। প্রযুক্তির সুযোগ ব্যবহার করতে হবে। কম দামেই এখন ক্যামেরা পাওয়া যায়। ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে সেগুলো মোবাইলে দেখা যায়। এটি করতে পারলে নিজেরা দায়মুক্ত থাকবেন। কেন্দ্রবিন্দুতে থাকলে সজাগ হোন। আগামীতে বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় রুপান্তরিত হবে এই জাহাজভাঙা শিল্পে। তাই সবার আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, আমাদের জাহাজভাঙা শিল্প পুরোনো। গ্রিন শিপব্রেকিং ইয়ার্ড হচ্ছে। শিল্প যান্ত্রিক দানবের মতো। একটু অসতর্ক হলেই বিপদ।
বিএসবিআরএ সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন সাংবাদিকদের বলেন, গ্রিন শিপ ইয়ার্ডে বিপদের পরিমাণ আগের তুলনায় কমেছে। সম্প্রতি যে ঘটনাটি ঘটল তার জন্য আমাদের কোনো ধরনের মানসিক প্রস্তুতি ছিল না।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও বাংলাদেশ শিপ রিসাইক্লিং বোর্ডের মহাপরিচালক গাজী মো. আসাদুজ্জামান কবির, জাইকার বিশেষজ্ঞ আকিরা ওকামোতো, জাইকার প্রকল্প কর্মকর্তা প্রকৌশলী সৌমিক শরীফ দীপ্ত, বাংলাদেশ শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)-এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ও নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্য, হেলথ, সেফটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট, পেশাজীবী, জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ইয়ার্ডের প্রতিনিধি, পরামর্শক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও নিরাপত্তা সচেতনতামূলক কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।