ফ্যাসিবাদের দোসরদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত: শফিকুল আলম মনা
মহানগর বিএনপির সভাপতি ও খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেছেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন হলেও তাদের দোসররা এখনও পুরোপুরি নির্মুল হয়নি।
তারা সমাজের বিভিন্ন স্তরে ঘাপটি মেরে আছে এবং দেশে নতুন করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। এমনকি তারা আমাদের বিভিন্ন সভা-সমাবেশে অনুপ্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা ঘটানোর গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে নগরীর কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে খুলনা মহানগর বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে খুলনায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত শহীদ, আহত ও যোদ্ধাদের স্মরণে এই সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবির পরিচালক মো. শফিকুল আলম তুহিন।
মনা আরও বলেন, যারা এক সময় চরম দাম্ভিকতা দেখাতেন, ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে ভাবতেন তাদের কেউ পতন ঘটাতে পারবে না, আজ তাদের সেই অহংকার কোথায়? জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আমাদের যে বীর সন্তানরা বুকের তাজা রক্ত দিয়েছেন, তাদের এই আত্মত্যাগ কোনোভাবেই বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। ফ্যাসিবাদের দোসরদের যেকোনো চক্রান্ত রুখে দিতে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের সকল নেতাকর্মীকে সবসময় সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।
সভায় মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক বেগম রেহানা ঈসা, ইস্তিয়াক উদ্দিন লাভলু ও চৌধুরী সফিকুল ইসলাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও থানা পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন থানা সভাপতি সেখ হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল ও অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আলী, থানা সাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান বিশ্বাস ও আসাদুজ্জামান আসাদ এবং থানা সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির ইকবাল বাপ্পী।
বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর হোসেন, যুবদলের আহ্বায়ক শেখ আব্দুল আজিজ সুমন ও সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রুবেল, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. মজিবর রহমান, আঞ্চলিক শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মাদ, জাসাসের সদস্য সচিব কে এম এ জলিল, মহিলা দলের সদস্য নাসরিন শ্রাবণী ও সাইদা আক্তার, স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মুন্তাসির আল মামুন এবং ছাত্রদল নেতা নাজিম উদ্দিন সামিম।
আলোচনা সভা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জীবনদানকারী শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।