বিএসইসি আইপিও ও ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে
পুঁজিবাজারে নতুন ও সম্ভাবনাময় কোম্পানির তালিকাভুক্তির সুযোগ বাড়াতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর পাশাপাশি ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বিএসইসি জানিয়েছে, বর্তমানে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহে আগ্রহী কোম্পানিগুলোর জন্য ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক অফার অব ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস, ২০২৫’ অনুযায়ী পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আবেদনকারী কোম্পানিগুলোর প্রয়োজনীয়তা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় বিধিমালায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বা শিথিলতা আনার সুযোগ রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠিত যেসব কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণ বা পরিচালনার জন্য নতুন মূলধন সংগ্রহের প্রয়োজন নেই, কিন্তু বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার অফলোডের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আগ্রহ রয়েছে, তাদের জন্য ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে।
এ লক্ষ্যে বিএসইসি ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ডাইরেক্ট লিস্টিং অব সিকিউরিটিজ অন দ্য স্টক এক্সচেঞ্জ) রুলস, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করেছে এবং জনমত আহ্বানের জন্য তা প্রকাশ করেছে।
প্রস্তাবিত বিধিমালা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট যোগ্যতার অধিকারী কোম্পানি ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের জন্য আবেদন করতে পারবে। এর মাধ্যমে নতুন শেয়ার ইস্যু না করেও বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার অফলোডের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বিএসইসি বলেছে, ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের প্রস্তাবিত কাঠামো পুঁজিবাজারে নতুন ও সক্ষম কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়ানো, বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ার অফলোডের সুযোগ সৃষ্টি এবং পুঁজিবাজারের গভীরতা ও পরিধি সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।
কমিশন আরও জানায়, দেশের পুঁজিবাজারে ভালো ও সক্ষম কোম্পানির অংশগ্রহণ বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি গভীর, বৈচিত্র্যময়, স্বচ্ছ ও কার্যকর পুঁজিবাজার গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও নিয়ন্ত্রক সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।