ইউএইতে জনতা ব্যাংকের অনিয়ম আলামিনের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি
সংযুক্ত আরব আমিরাতে জনতা ব্যাংকের কার্যক্রম ঘিরে ভুয়া এলসি, ঋণ অনিয়ম ও অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে তদন্ত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একাধিক মামলায় জনতা ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং বেক্সিমকো-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদকের একটি মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে নেওয়া অর্থের একটি অংশ সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক আরআর গ্লোবাল ট্রেডিং এফজেডইর মাধ্যমে বিদেশে স্থানান্তর করা হয়।
এ ছাড়া ক্রিসেন্ট গ্রুপ ও অ্যাননটেক্সের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জনতা ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারিতে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি অনিয়মের তথ্যও বিভিন্ন তদন্ত ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
আপনার দেওয়া প্রতিবেদনে জনতা ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলামিনের বিরুদ্ধে ইউএই শাখাগুলোর অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ করা হয়েছে এবং বর্তমানে জনতা ক্যাপিটালে তার কর্মরত থাকার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। তবে নির্ভরযোগ্য প্রকাশ্য সূত্রে আলামিনের বিরুদ্ধে এসব নির্দিষ্ট অভিযোগ স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
জনতা ব্যাংককে ঘিরে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে দুদক একাধিক মামলা করেছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে প্রায় ১৩৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে একটি মামলা করা হয়; অন্য মামলাগুলোতে আরও বড় অঙ্কের অর্থের অভিযোগ রয়েছে।
এসব ঘটনা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ঋণ ব্যবস্থাপনা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, জবাবদিহি এবং পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।