মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ভূমিকা নিয়ে সিরাজগঞ্জে সংলাপ
গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ভূমিকা নিয়ে সিরাজগঞ্জে এক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার শহরের মাসুমপুরে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এনডিপি) শাখা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘গণতন্ত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা’ শীর্ষক এ সংলাপ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনডিপির প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক মো. আলাউদ্দিন খান। সভা সঞ্চালনা করেন এনডিপির নির্বাহী পরিচালক (এমঅ্যান্ডই) ও শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচির কাজী মাসুদুজ্জামান পল।
সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)-এর প্রধান নির্বাহী এ্যাড. সাইদুর রহমান। এছাড়াও বক্তব্য দেন সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুণ অর রশিদ খান হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম ইন্না। প্রধান আলোচক বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যমকে গণতন্ত্রের ‘চতুর্থ স্তম্ভ’ বলা হয়, কারণ সাংবাদিকরা জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে সত্য তুলে ধরে রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সাংবাদিকরা তথ্যপ্রাপ্তির সীমাবদ্ধতা, নিরাপত্তা ঝুঁকি, পেশাগত চাপ ও আইনি জটিলতার মতো নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। এ বাস্তবতায় অভিজ্ঞতা বিনিময় ও মতবিনিময় আরও জরুরি হয়ে উঠেছে।
ভুয়া খবরের যুগে তথ্য যাচাই, নির্ভরযোগ্য সূত্র ব্যবহার এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন সাংবাদিকদের প্রধান দায়িত্ব। পাশাপাশি তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ প্রয়োগ প্রমাণভিত্তিক সাংবাদিকতাকে আরও শক্তিশালী করে। স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গণতন্ত্রের বিকাশ ও মানবাধিকার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পেশাগত নৈতিকতা ও সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনে অবদান রাখেন।
এসময় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হেলাল আহমেদ, এমএসএফ প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর নাজনীন শবনম, এনডিপির প্রতিবন্ধিতা ও শিক্ষা কর্মসূচির উপ-ব্যবস্থাপক শিপন চন্দ্র নাগ, প্রোগ্রাম অফিসার সুরেশ চন্দ্র পালসহ জেলা পর্যায়ের ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। ‘মানবাধিকার নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণের মাধ্যমে মানবাধিকার সুরক্ষা (ডিএইচআরএনএস)’ প্রকল্পের আওতায় সভাটির আয়োজন করে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম সিরাজগঞ্জ। এতে সহযোগিতা করে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)।