ডা. জুনাইদ শফিক: চিকিৎসক থেকে আর্থিক খাতের বড় খেলোয়াড়, চেয়েছিলেন নাভানা ফার্মাকে ধ্বংস করতে

প্রকাশঃ Mar 11, 2026 - 15:41
ডা. জুনাইদ শফিক: চিকিৎসক থেকে আর্থিক খাতের বড় খেলোয়াড়, চেয়েছিলেন নাভানা ফার্মাকে ধ্বংস করতে

জি.আর.পারভেজ

দেশের আর্থিক খাতের কেলেঙ্কারির হোতাদের একজন ডা. জুনাইদ শফিক। আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের সহযোগিতায় ‘রোড শো’ এর নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। ডা. জুনাইদ শফিক ডাক্তারি পেশার বাহিরে গিয়ে দেশের আর্থিক খাতের তছনছের পেছনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, ২০২২ সালের শেষ ভাগে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন ডা. জুনায়েদ শফিক। গত ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তৎকালিন ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর বিদেশে পালিয়েছেন তিনি। ৫ আগস্ট পরবর্তী কোম্পানিটি থেকে সকল ধরনের পদপদবী থেকে তিনি পদত্যাগ করেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, বর্তমানে নতুন সরকারের শাসনামলে নিজেকে বিএনপিপন্থি হিসেবে পরিচয় দিতে নানা রকম ফন্দিফিকির করছেন। দেশে ঢুকে নতুন করে আবারও আর্থিক খাতকে অস্থির করার পায়তারা করছেন চিকিৎসক পেশা ছাপিয়ে বনে যাওয়া আর্থিক খাতের মাফিয়া ডা. জুনায়েদ শফিক।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিভ্রান্তিকর আর্থিক প্রতিবেদন দিয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছিল নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস। আর এ কাজে প্রত্যেক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছে তৎকালিন বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম। তালিকাভুক্তির পর কোম্পানিটির নামে পুঁজিবাজার এবং ব্যাংক থেকে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে জুনায়েদ শফিকের বিরুদ্ধে। বর্তমানে দুবাইতে বিলাসবহুল জীবনযাপন করা সেই জুনাইদ এখন নিজেকে ‘বিএনপিপন্থি চিকিৎসক পরিচয়ে চাচ্ছে দেশে ফিরতে।

অভিযোগ উঠেছে, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর আপন মামাতো ভাই এবং এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের আপন খালাতো ভাই ডা. জুনায়েদ শফিক। পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াতের ঘনিষ্ঠ ছিলেন জুনাইদ। আওয়ামী আমলে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, পিপলস ব্যাংক এবং ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মতো বিভিন্ন আর্থিক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলে নিয়ে আওয়ামী অলিগার্কে পরিণত হয়েছিলেন তিনি। এদের মধ্যে শিবলি রুবাইয়াত বর্তমানে কারাগারে আছেন।

এক সময় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবিএল) চেয়ারম্যান ছিলেন সাইফুজ্জামানের স্ত্রী রুকমীলা জামান এবং পরিচালক ছিলেন জুনাইদ নিজে। মেডিকেল প্র্যাকটিসের আড়ালে ব্যাংকিং খাতের এই পরিচয় এবং দেশের প্রভাবশালী ব্যাবসায়িক গোষ্ঠীর স্বজন হিসেবে আওয়ামী আমলে দেশের আর্থিক খাত স্রেফ লুটেপুটে খেয়েছেন জুনাইদ। ইউসিবিএল থেকে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং বিদেশে পাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দায়েরকৃত মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি এখন ডা. জুনাইদ। এই মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে অন্যতম সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং তার স্ত্রী ও ইউসিবিএলের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামান। নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকাকালীন দেশের পুঁজিবাজার এবং ব্যাংকিং খাত থেকে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি উঠিয়েছিলেন জুনাইদ। ৫ আগস্টের পর দুবাইয়ে পালিয়ে যাওয়ার পূর্বে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের ৫৪০ কোটি টাকা ঋণ রেখে যান জোনাইদ।

 

এ ছাড়া জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হসপিটাল এবং জাপান-বাংলাদেশ রিটায়ারমেন্ট হোমেরও এমডি ডা. জোনাইদ। প্রতিষ্ঠান দুটির মূল উদ্যোক্তা ও চেয়ারম্যান অধ্যাপক সরদার এ নাঈমের অগোচরে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ১২০ কোটি টাকারও বেশি ঋণ নিয়েছেন তিনি। একটি প্রকল্পের কার্যাদেশের বিপরীতে পরিচালক পদে থাকা নিজের ইউসিবিএলসহ অন্তত তিনটি ব্যাংক থেকে এই ঋণ নেন তিনি। এর মধ্যে এনআরবিসি থেকে নেওয়া ৭০ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে অন্তত ১৯ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। অথচ কার্যাদেশের মূল কাজ সম্পন্ন না করেই লোনের সিংহভাগ অর্থ ব্যক্তিগত খাতে খরচ করেছেন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় বসবাসরত দুই মেয়ের কাছে প্রায় দেড় মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন।

এ বিষয়ে জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল এবং জাপান-বাংলাদেশ রিটায়ারমেন্ট হোমের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সরদার এ নাঈম বলেন, কতিপয় ব্যক্তির প্ররোচনায় আর্থিক খাতে জড়িয়ে ভিন্ন ধারায় চলে যান জুনাইদ শফিক। আমরা সবাই সেই ব্যক্তিদের পরিচয় জানি। এমন অসংখ্য অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ডা. জুনাইদসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে দুদক। এমন দুটি মামলায় অপরাধের সঙ্গে শফিকের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় আদালতে চার্জশিট জমা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে বর্তমানে বিচারাধীন ওই দুই মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে শফিকের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে জুনাইদ শফিক, তার স্ত্রী মাসুমা পারভীন এবং তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটি (বিএফআইইউ)। এ ছাড়া আরও অন্তত ২৬টি মামলার তদন্ত চলছে শফিকের বিরুদ্ধে। অবশ্য আইনের হাতে ধরা পড়ার আগেই ৫ আগস্টের পর সুবিধাজনক সময়ে দেশ ছেড়ে পালান ডা. জুনাইদ।

অনুসন্ধান বলছে, বর্তমানে দুবাইতে আয়েশী ও বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন তিনি। বিভিন্ন সময় সেখানকার বিলাসবহুল হোটেল, বার, নাইটক্লাবে শফিকের উপস্থিতির প্রমাণ রয়েছে। তবে বিতর্কিত ডা. জুনাইদ এখন তোড়জোড় করছেন দেশে ফেরার। জুনাইদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলছে, দেশে এসে এখন বিএনপিপন্থি সেজে পূর্বের মতো আবারো আর্থিক খাতের অলিগার্ক হতে চাইছেন তিনি। একটি ঘনিষ্ঠ সূত্রের সাহায্যে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে হারানো প্রভাব পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি অর্থ আত্মসাতের নতুন নতুন পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন জুনাইদ।

অনুসন্ধান বলছে, তার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এসব ফিরিস্তির মাধ্যমে বিএনপিপন্থি চিকিৎসক পরিচয়ে দেশে ফেরার প্রত্যাশা করছেন ডা. জুনাইদ। দেশে এসে আদালতে আত্মসমর্পণের পর শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নেওয়ার আবেদন করবেন তিনি। পাশাপাশি একই কারণ উল্লেখ করে দ্রুত জামিন নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। জুনাইদের ঘনিষ্ঠ ওই সূত্র বলছে, জামিনে বের হয়ে দখল হারানো প্রতিষ্ঠানগুলো আবারো দখলের পরিকল্পনা করছেন ডা. জুনাইদ। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে দেশের বাইরে পলাতক ডা. জুনাইদ শফিকের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। যোগাযোগের কারণ লিখে বার্তা দেওয়া হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পর থেকেই অর্থ লুট, ভ্যাট ফাঁকিসহ নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস। আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায় নানা রকম আর্থিক অসঙ্গতি। আর এই কাজগুলো ডা. জুনাইয়েদের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত ও সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সাথে ডা. জুনাইয়েদের অনেক ঘনিষ্ঠতা ছিল। এমনকি ডা. জুনাইদ তার মার্সিডিজ গাড়ি ৫ আগস্টে আগে শিবলী রুবাইয়াতকে উপহার দিতে চেয়েছিলেন এবং সাবেক ভূমিমন্ত্রীর গাড়ি ডা. জুনাইদ ব্যবহার করতেন। সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও শিবলী রুবাইয়েতের সহযোগিতায় প্রচুর অর্থ বিদেশে পাচার করেছে জুনাইদ।

এদিকে, ডা. জুনাইদের দুর্নীতির কারণে অস্তিত্ব সংকটে থাকা নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। ডা. জুনাইদ বিহীন কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট সুন্দরভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে। ৫৪০ কোটি টাকা লোন বা ঋণ রেখে গিয়েছিলেন জুনাইদ শফিক। সেখান থেকে বর্তমান ম্যানেজমেন্ট গত দেড় বছরে ২০৫ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। কোনো ধরনের ব্যাংকের সহযোগিতা ছাড়াই বর্তমান ম্যানেজমেন্ট নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জে নতুন আট তলা ভবনের পাঁচ তলা পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন করেছে। এছাড়াও ছয় তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজও সম্পন্ন করেছে। ইনসেপ্টার চেয়েও বর্তমানে নাভানা ফার্মার গ্রোথ ভালো অবস্থায় রয়েছে। ডা. জুনাইয়ের কারণে গত ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখের পর নাভানা ফার্মা থেকে ব্যাংকগুলো মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান ম্যানেজমেন্টের সাথে ব্যাংকগুলোর সম্পর্ক এখন অনেক ভালো রয়েছে।

তথ্য বিশ্লেষণে জানা গেছে, সদ্য বিদায়ী বছরে (৩০ জুন ২০২৫) নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসে সেলস বা বিক্রয় রাজস্ব হয়েছে ৮৮৪ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৪৯৩ টাকা। এর আগের বছর যা ছিল ৬৮৯ কোটি ৮২ লাখ ১৮ হাজার ৮৫২ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে বিক্রয় রাজস্ব বেড়েছে ১৯৪ কোটি ৪৬ লাখ ৯৫ হাজার ৬৪১ টাকা বা ২৮ শতাংশ। সদ্য বিদায়ী বছরে কোম্পানিটির নিট প্রফিট বা মুনাফা হয়েছে ৪৮ কোটি ৭৮ লাখ ১১ হাজার ৩৪৭ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ দশমিক ৫৪ টাকা। এর আগের বছর ইপিএস হয়েছিল ৩ টাকা ৭৭ পয়সা। বর্তমান ম্যানেজমেন্টের শাসনামলে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ২০ শতাংশ। এছাড়াও কোম্পানিটির নেট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) বেড়েছে ৭ শতাংশ।

তথ্য বিশ্লেষণে আরও জানা গেছে, সদ্য বিদায়ী বছরে কোম্পানিটি তার গ্রাহকদের কাছ থেকে ৮৪৩ কোটি ৩৮ লাখ ২৯ হাজার ২৭৬ টাকা সংগ্রহ করেছে। এর আগের বছর যা ছিল ৬৬৮ কোটি ৪৪ লাখ ৯০ হাজার ৯৪৮ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির পণ্য বিক্রি বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিমাণ বেড়েছে ১৭৪ কোটি ৯৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩২৮ টাকা বা ২৬ শতাংশ। কোম্পানিটির জুনাইদ বিহীন ম্যানেজমেন্টের এমন ব্যবসায়িক সাফল্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বিএসইসির মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জুনাইদ শফিকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এখন পর্যন্ত কমিশনে পড়েনি। অভিযোগ পড়লে এবং তার সত্য প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কমিশন।বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নুরুল হক  বলেন, জুনায়েদ শফিকের মতো মানুষগুলোকে বাসদ বলা হয়। বাসদের পূর্ণ নাম হচ্ছে- বাংলাদেশ সুবিধাবাদী দল। অর্থাৎ এদের কোনো নির্দিষ্ট দল নেই। যে দলেই ক্ষমতায় আসে সেই দলের ছত্রছায়ায় চলে যায় এবং দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে। এই জুনাইদ শফিকের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারসহ শেয়ার কারসাজির অভিযোগ রয়েছে। এই ধরনের সুবিধাবাদি ব্যক্তির ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর সতর্ক থাকা উচিত। জুনাইদ শফিকের মতো মাফিয়াদের সমূলে উৎপাটন করা উচিত।

উল্লেখ্য, নাভানা ফার্মার পরিশোধিত মুলধন ১০৭ কোটি ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যেখানে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মালিকানা রয়েছে ২৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ, উদ্যোক্তা/পরিচালকদের মালিকানা রয়েছে ৪২ দশমিক ২০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মালিকানা রয়েছে ১০ দশমিক ২১ শতাংশ এবং বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে ১৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ।